২৬ টি লাভজনক কৃষি ব্যবসা আইডিয়া
কৃষি ব্যবসার আইডিয়া

২৬ টি লাভজনক কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

কৃষি ব্যবসা আইডিয়া– নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর এর জন্য দরকার হলো অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় এমন ব্যবসার আইডিয়া। আজকে আলোচনা করব কৃষি ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে।

আপনি কি ভাবে অল্প টাকা দিয়ে গ্রামে লাভজনক কৃষি ব্যবসা শুরু করতে পারেন, তা নিয়ে একটি বিস্তারিত ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

এই ছোট কৃষি ব্যবসা আইডিয়া গুলোর মধ্যে থেকে নিজের পছন্দ ও আগ্রহ এবং দক্ষতা অনুযায়ী যে কোনও একটি বেছে নিয়ে আপনিও শুরু করতে পারেন অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা।

বিভিন্ন লাভজনক কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#26 অল্প টাকায় চা পাতার ব্যবসা

চা পাতার ব্যবসা কিছুটা সহজ এবং কম পুঁজির হওয়ার ফলে এ সময়ের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হয়ে উঠেছে।

কারণ চা পাতার ব্যবসায়িক চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হল চা পাতা

কি ভাবে শুরু করবেন লাভজনক চা-পাতার ব্যবসা

প্রাথমিক অবস্থায় নিজের থেকেই উদ্যোগ নিয়ে ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। সারা দেশেই হাট বাজার থেকে শুরু করে রাস্তার মোড়ে মোড়ে রয়েছে চায়ের দোকান।

তাদের সাথে কথা বলে অন্য চা পাতার পাশাপাশি আপনার কাছে থেকেও চা পাতা নিতে তাদেরকে অনুরোধ করবেন।

চা পাতা বিক্রির মার্কেটিং বা কৌশল

আপনার এলাকায় যে সকল চায়ের দোকান আছে প্রতিদিন একবার তাদের দোকান গুলি পরিদর্শন করবেন। এবং দোকানের একটি তালিকা করবেন। যেখানে চা দোকানদারের নাম, ও মোবাইল নম্বর লিখে রাখার চেষ্টা করবেন।

এভাবে যদি আপনি ৫০ থেকে ১০০ টি চায়ের দোকান ম্যানেজ করতে পারেন তাহলেই হবে। সত্যি বলতে ৫০ টি দোকান ম্যানেজ করা খুব কঠিন কাজ নয়। আপনাকে শুধু প্রতিদিন বিভিন্ন চায়ের দোকানে ঘুরতে হবে এবং সুন্দর ভাবে কথা বলে তাদের বুঝাতে হবে।

এছাড়া আমাদের দেশে সব সরকারি এবং বেসরকারি অফিসে প্রায় প্রতিদিনই চা পাতা লাগে। সুতরাং তাদের সাথে কথা বলেও চা পাতা বিক্রি করতে পারেন।

এর বাইরেও আরো বড় মার্কেট হলো শত শত মুদির দোকান। তাদের কাছেও চা পাতা খুব সহজেই বিক্রি করতে পারবেন। একবার বিক্রি করতে পারলে, আস্তে আস্তে দেখবেন সবাই আপনার কাছ থেকেই চা পাতা কিনার জন্য আগ্রহ দেখাবে।

আর তারা যদি অন্য চা পাতার তুলনায় আপনার চাপাতা কম মূল্যে পায় তাহলে অবশ্যই কেনার জন্য আগ্রহ দেখাবে।

চা পাতার পাইকারি বাজার কোথায়-

চা পাতার জন্য কিছু সুপরিচিত পাইকারি বাজার রয়েছে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় বাজার হলঃ

১- শ্রীমঙ্গল পাইকারি চা বাজার
২- চট্টগ্রাম পাইকারি চা বাজার
৩- ঢাকা চায়ের বাজার
৪- পঞ্চগড় চায়ের বাজার

চা পাতা ব্যবসায় লাভ হবে কত

আর প্রতিদিন ৫০ দোকানে যদি আপনি ৫০০ গ্রাম করে চা পাতা বিক্রি করেন, তবে আপনার বিক্রয় হবে প্রতিদিন ২৫ কেজি।

প্রতি কেজিতে ২০ টাকা লাভ হলে ২৫ কেজিতে লাভ হয় ৫০০ টাকা । আর প্রতি মাসে লাভ হবে ১৫,০০০ টাকা।

আর আপনার এই লাভ প্রতি মাসেই বাড়তে থাকবে। আপনাকে শুধু প্রতি মাসে ৪/৫ টা বেশি দোকানে সেল দেওয়ার টার্গেট করে নিতে হবে।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#25 নার্সারির ব্যবসা আইডিয়া

গ্রামে যত গুলো কৃষি ব্যবসা আইডিয়া রয়েছে, তার মধ্য অন্যতম লাভজনক ব্যবসা হলো নার্সারি। কারন অল্প পুঁজি দিয়েই শুরু করা যায় নার্সারি ব্যবসা।

আপনার কাছে যদি দেড় থেকে দুই বিঘা জমি থাকে তাহলে নার্সারি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। এলাকাভেদে মূলধনের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

গ্রামাঞ্চলে চাইলে স্বল্প পুঁজিতেও পরিত্যক্ত জমিতে নার্সারি করা যায়। গ্রামে যদি নিজের জমি থাকে তাহলে ২৫ হাজার টাকা দিয়েই ছোট আকারের নার্সারি ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে।

নার্সারি ব্যবসায় লাভ কেমন

বিনিয়োগের জন্য নার্সারি হলো একটি লাভজনক কৃষি ব্যবসা আইডিয়া । এটি এমন একটি ব্যবসা, এখানে লোকসান হওয়া সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

তাই যারা রিস্ক নিতে ভয় পান। তারা নার্সারির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। নানা ধরনের উন্নত ও বিদেশি জাতের ফল, ফুল ও ভেষজ উদ্ভিদের চারা গাছ রাখলে বেশ লাভবান হওয়া যায়।

আপনি যদি প্রথমে ছোট করে এ ব্যবসা শুরু করেন তাহলে, সব খরচ বাদ দিয়ে বছরে এক থেকে দুই লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

মাঝারি আকারের নার্সারি হলে এবং সঠিকভাবে পরিচর্যা করা হলে ৪ থেকে ৫ লাখ পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব হতে পারে।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#24 অল্প টাকায় মৌমাছি চাষের ব্যবসা আইডিয়া

গ্রামে যেসব ব্যবসা করা যায়, তার মধ্য মৌমাছি চাষ অন্যতম। মৌমাছি চাষ কে পেশা হিসাবে বেছে নিতে পারেন গ্রামের বেকার যুবকরা। প্রতিদিন সামান্য কিছু সময় ব্যয় করেই, মৌমাছি পালন করে আয় করা সম্ভব।

মৌমাছি পালন কি

প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি এনে মৌচাকের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে পালন করাকেই মূলত বলা হয় মৌমাচি পালন।

কোন জাতের মৌমাছি পালনে লাভ বেশি

ব্যবসার জন্য ভারতীয় জাতের মৌমাছি সবচেয়ে উপযোগী।

মৌমাছির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ

মৌ-বাক্স রাখার জন্য জায়গাটি ছায়াযুক্ত, শুকনা ও আশপাশে মৌমাছির খাদ্য সরবরাহের উপযোগী গাছ-পালা লাগিয়ে পরিবেষ্টিত করতে হবে। প্রয়োজনে কিছু কিছু ঋতুভিত্তিক গাছ প্রয়োজন অনুযায়ী লাগানো যেতে পারে।

মৌমাছি ব্যবসায় থেকে লাভ

পদ্ধতি -১ অ্যাপিস সেরানা প্রজাতির মৌমাছি

এই প্রজাতির ৫ টি মৌমাছি-কলোনি সম্বলিত মৌ-খামার স্থাপনের জন্য মোট ব্যয় হবে ১৫-১৬ হাজার টাকা।

প্রতিবছর গড়ে প্রতি বাক্স থেকে ১০ কেজি মধু পাওয়া যাবে, যার মূল্য হবে ২৫০ টাকা হিসেবে ২৫০০ টাকা। এ হিসেবে ৫টি বাক্স থেকে উৎপাদিত মধুর মূল্য দাঁড়াবে ৫০ কেজি × ২৫০ টাকা = ১২,৫০০ টাকা।

আপনি যদি প্রতি বছর মৌমাছির সংখ্যা বাড়াতে থাকেন। তাহলে আপনার আয়ের পরিমাণও বাড়তে থাকবে। এই আয় ১০-১৫ বছর অব্যাহত থাকবে। আপনকে আর কোন খরছ করতে হবে না।

পদ্ধতি – ২ অ্যাপিস মেলিফেরা প্রজাতির মৌমাছি

এই প্রজাতির ৫ টি মৌ-কলোনি সম্বলিত মৌ-খামার স্থাপনের জন্য মোট ব্যয় হবে ২৫ থেকে ২৭ হাজার টাকা।

এখানেও একি পদ্ধতিতে ১০-১৫ বছর পর্যন্ত মৌ-বাক্স এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে। এর জন্য অতিরিক্ত আর কোনো টাকা ব্যয় করতে হবে না।

মেলিফেরা প্রজাতির প্রতিটি মৌ-বাক্স থেকে প্রতি বছরে ৫০ কেজি পর্যন্ত মধু সংগ্রহ করা যায়, যার বাজারমূল্য সর্বনিন্ম ৫০×২৫০ টাকা (প্রতিকেজি) = ৬২,৫০০ টাকা।

প্রকল্প স্থাপনের জন্য মাত্র ২৫-২৭ হাজার টাকা একবার বিনিয়োগ করে প্রতিবছর ৬০ হাজার টাকার আয় করা সম্ভব হবে।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#23 জৈব সারের ব্যবসা আইডিয়া

গ্রামে অনেকেরই বাড়ির আশে পাশে পরিত্যক্ত জমি রয়েছে। যেখানে কোন চাষবাস করা হয় না। তাই আপনি চাইলে এই কৃষি ব্যবসা আইডিয়া কাজে লাগিয়ে পরিত্যক্ত জমিকে জৈবসার চাষের জন্য উপযোগী করে তুলতে পারেন। এবং এ থেকে অতিরিক্ত কিছু টাকা আয় করে নিতে পারবেন।

সাধারণত কেঁচো কম্পোস্ট একটি জৈব সার যা জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহার করা হয় । গাছের পাতা, খড়, গোবর, লতাপাতা ইত্যাদি খেয়ে কেঁচো মল ত্যাগ করে এবং এর সাথে কেঁচোর দেহ থেকে রাসায়নিক পদার্থ বের হয়ে কেঁচো কম্পোস্ট সার তৈরি হয

জৈবসার ব্যবসার মূলধন

আনুমানিক ৫০০ টাকার যন্ত্রপাতি এবং ২০০০ টাকার কাঁচামাল কিনে বেশ বড় আকারেরর কেঁচো কম্পোস্ট তৈরি ও বিক্রি ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে।

জৈবসার ব্যবসার আয় ও লাভের পরিমাণ

খরচ (এক মাসের জন্য কাঁচামাল বাবদ খরচ আনুমানিক = ২৫০০ টাকা)

আয় (এ পরিমাণ কাঁচামাল দিয়ে মাসে ২০০০ কোঁচোর মাধ্যমে ১০০ কেজি সার উৎপাদন করা সম্ভব)

১ কেজি সার বিক্রি হয়= ৮ টাকা
১০০ কেজি সার বিক্রি হয়=৮০০ টাকা
নতুন জমানো কেঁচো বিক্রি=২০০০ টাকা
মাসে মোট আয় =(সার+কেঁচো)=২৮০০ টাকা

তাহলে আপনি যদি প্রতি মাসে ৩৫০ কেজির মত সার উৎপাদন করতে পারেন। তাহলে খুব সহজেই মাসে প্রায় দশ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#22 শামুক চাষের ব্যবসা

একটি ভিন্নধর্মী লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া হলো শামুক চাষ। কিন্ত দিন দিন শামুকের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার, শামুক চাষের জনপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাই এখন, পুকুর ডোবা নালা খাল-বিলে অবহেলা আর অযত্নে পড়ে থাকা ছোট ছোট শামুক এখন আর পরিত্যক্ত কিছু নয়। দেশি জাতের শামুক চাষ করেও আপনি বানিজ্যিক ভাবে লাভবান হতে পারেন।

গ্রামে যাদের ছোট বা বড় পুকুর রয়েছে, তারা চাইলেই মাছ বা হাস পালনের পাশাপাশি শামুক চাষ করতে পারেন। ফলে শামুকের মাংস থেকে মাছের খাবার সংগ্রহ করতে পারবেন আর শামুকের খোসা থেকে চুন তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতে পারবেন।

শামুক চাষ করলে আপনার মাছে এবং হাস চাষের ব্যয় অনেকাংশেই কমে যাবে। আপনি প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ দুই ভাবেই লাভোবান হবেন।

কি ভাবে বাজারজাত করবেন

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষিরা, বাগেরহাট ও খুলনা জেলায় প্রচুর চিংড়ি ঘেড়ে রয়েছে । এছাড়া পাঙ্গাশ, চিংড়ি, শিং ও মাগুর এবং কৈ ও তেলাপিয়ার মাছের খামারে শামুকের প্রচুর চাহিদা আছে। শুধু তাই নয় চাহিদার তুলনায় এর উৎপাদন হচ্ছে খুবই কম।

তাই আপনারা যারা গ্রামে থাকেন, তারা এই ব্যবসার আইডিয়াকে পরিকল্পিত ভাবে কাজে লাগিয়ে শামুক চাষ এর ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।

আয়-ব্যায়

শামুক উৎপাদনে তেমন ব্যায় নাই বললে চলে। বর্তমানে ৫০ কেজির এক বস্তা শামুক পাচ থেকে সাতশত টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#21 অল্প টাকায় ছাগল পালনের ব্যবসা

আপনি যদি অল্প টাকায় ব্যবসা করে সাবলম্বী হতে চান, তাহলে, ছোট করে ছাগলের খামার দিয়ে শুরু করতে পারেন।

গ্রামে ছাগলের খামার করলে সহজেই লাভবান হওয়া যায়। এবং আপনি যদি সঠিক পরিকল্পিত উপায়ে এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে ছাগলের খামার গড়ে তুললে পাড়েন, তাহলে খামারে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ছাগলের খামার গড়ে তুলে অনেকেই কোন হিসাব রাখেন না। যার ফলে অনেক ছাগলের খামারিদের লোকসানের সম্মুখীন হতে হয়।

ছাগলের খামারে আয়-ব্যয়ের হিসাব

সাধারণতঃ একটি ছাগী বার থেকে পনের মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয়। একটি ছাগী বছরে দুইবার বাচ্চা প্রসব করে যার ফলে একটি ছাগী থেকে ২-৬ টি বাচ্চা পাওয়া যেতে পারে।

বিশ কেজি দৈহিক ওজন সম্পন্ন একটি ছাগল থেকে ১২-১৩ কেজি খাওয়ার যোগ্য মাংস এবং ১.৫ কেজি ওজনের উন্নতমানের চামড়া পাওয়া যাবে।

সেমি-ইন্টেনসিভ পদ্ধতিতে পঁচিশ টি ছাগীর খামার থেকে ১ম বছরে ৫০,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব। ২য় বছরে ৮০,০০০ টাকা এবং এই ভাবে সঠিক ব্যবস্থাপনের মাধ্যমে ছাগল পালন করলে ৩য় বছরে ১,৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব হবে।

এইভাবে আপনার আয় প্রতিবছরই বাড়তে থাকবে। আপনার আয় বাড়ার সাথে সাথে আপনার ছাগলের খামার টাকেও বড় করতে হবে এবং আরও ভাল জাতের কোন ছাগল এনে পালন করতে হবে। তাহলে কম সময়ে অধিক পরিমাণ লাভ করতে পারবেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#20 গ্রামে মোবাইল রিচার্জ এবং বিকাশ এর ব্যবসার আইডিয়া

এই ব্যবসাটি আপানর এলাকার যে কোন বাজারে শুরু করতে পারেন। আপনার যদি মোবাইল রিচার্জ এবং বিকাশকে ব্যবসা নিতে চান, তাহলে হবে না। এর সাথে অন্য কোন ব্যবসাও করতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মুদির দোকান বা ফার্মেসির দোকান। ২ টি ব্যবসা এক সাথে করার ফলে, প্রতি মাসে ভাল পরিমাণ আয় করা সম্ভব হবে।

মোবাইল রিচার্জ করে কত টাকা আয় করা যায়

১০০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করতে পারলে ২.৭৫ টাকা পাবেন। ১০০০ টাকা করতে পারলে ২৭.৫০ টাকা পাবেন।

প্রতিদিন ৫,০০০ টাকা রিচার্জ করতে পারলে প্রতি মাসে আয় করতে পারবেন ৪,১২৫ টাকা। যা খুব বেশি নয়।

এর জন্য মোবাইল রিচার্জ ব্যবসার পাশাপাশি অন্য ব্যবসা করতে হয়। এবং উপযুক্ত জায়গায় দোকান দিতে হয়।

যেখানে সবসময় অনেক লোকের সরাগম থাকে। দোকানের জায়গা নির্বাচন এখানে খুব ই গুরুত্বপূর্ণ।

বিকাশ থেকে কত টাকা আয় করা যায়

৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে যদি দিনে গড়ে ৮০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারেন, তাহলে দৈনিক ৩২৮ টাকা আয় করতে পারবেন। তাহলে প্রতি মাসে আপনার ইনকাম হবে ৯,৮৪০ টাকা।

আমি এক এজেন্ট কে কিছু প্রশ্ন করে জানতে পারি ১ লক্ষ টাকায় মাসে ১৫ হাজার টাকা অবধি আয় করা সম্ভব বিকাশের মাধ্যমে।

তাহলে আপনি মোবাইল রিচার্জ এবং বিকাশ থেকে মোট আয় করতে পারবেন প্রায় ১৪০০০ টাকা এবং এর পাশাপাশি যে ব্যবসা করবেন সেখান থেকেও কিছু লাভ হবে।

সব মিলে প্রতি মাসে ২০,০০০ টাকা আয় করা খুব কঠিন কিছু হবে না। যদিও সম্পূর্ণ আয়টি নির্ভর করবে, আপনার লেনদেন এর উপরে।

আপনি যদি দোকান ভাল কোন জায়গায় দিতে পারেন এবং ক্রেতাদের সাথে ভাল ব্যবহার করেন। তাহলে আপনার লেনদেন প্রতি মাসেই বাড়তে থাকবে।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#19 কোয়েল পাখির খামারের ব্যবসা আইডিয়া

কৃষি ব্যবসা আইডিয়ার মধ্য, কোয়েল পাখির খামার একটি নতুন আইডিয়া। গ্রামে যারা এখনো বেকার যুবক আছেন, তারা খুব সহজেই অল্প মূলধন নিয়ে কোয়েল পাখি পালন করতে পারেন।

এমনকি, আপনি আপনার বর্তমান পেশায় থেকেও কোয়েল পাখির খামার করতে পারেন। হাঁস-মুরগী মতো ব্যাপক পরিচিত না হলেও কোয়েল পাখি বর্তমানে বাংলাদেশে দিন দিন জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কারন অল্প মূল্যে, কম জায়গায় ও অল্প খাদ্যে লাভজনক কোয়েল পালন করা সম্ভব।

কেন আপনি কোয়েল পাখি পালন করবেন

  • এ পাখি আকারের ছোট, তাই সামান্য যায়গাতেই কোয়েল পাখি পালন করা সম্ভব।
  • ছোট হওয়ায় খাদ্য খরচ তুলনামূলকভাবে অন্যান্য পোল্ট্রি খামারের চেয়ে কম।
  • কোয়েল পাখি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং মাত্র 6 থেকে 7 সপ্তাহ বয়সে ডিম দেয়।
  • প্রাথমিক খরচ খুব কম, তাই আপনি খুব অল্প মূলধন নিয়ে কোয়েল পাখির ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

১০০০ কোয়েল পাখির মাসিক ব্যয়

১) দৈনিক খাবার= ১০০০x২৫=২৫০০০ গ্রাম =২৫ কেজি

প্রতি মাসের খাবার খরচ =২৫x৩০ কেজি=৭৫০কেজিx৩৬ টাকা =২৭,০০০ টাকা।

২) ওষুধ ও অন্যান্য খরচ = ১,০০০ টাকা

প্রতি মাসে মোট খরচ হবে = ২৮,০০০ টাকা

১০০০ কোয়েল পাখি থেকে মাসিক আয়

দৈনিক কোয়েল পাখি থেকে ডিম পাওয়া যাবে= ৮০০ টি

প্রতিটি ডিমের দাম ১.৮ টাকা হলে, প্রতিদিন ডিম থেকে আয় হবে= ৮০০x১.৮=১,৪৪০ টাকা।

তাহলে, প্রতি মাসে আয় করা যাবে = ১,৪৪০x৩০=৪৩,২০০ টাকা

১০০০ কোয়েল পাখি থেকে মাসিক মোট আয় হবে = ৪৩,২০০ টাকা।

মাসিক লাভ = ৪৩,২০০ –২৮,০০০ = ১৫,২০০ টাকা।

এভাবে আপনি ২০০০ কোয়েল পাখি পালন করতে পারলে মাসে কমপক্ষে ৩০,০০০ টাকা আয় করতে পারবেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#18 কাপড় সেলাই বা দর্জির ব্যবসা আইডিয়া

আপনার যদি জীবনে সফলতা আনতে চান তহলে আপনাকে অবশ্যই কোন ভালো চাকরি করতে হবে অথবা ভালো কোনো ব্যবসা করতে হবে

তাই এখন যে ব্যবসা নিয়ে কথা বলব, এটি নিঃসন্দেহে আপনার ক্যারিয়ারের জন্য ভাল একটি ব্যবসা হতে পারে।

কারন আপনি যদি সততা এবং সুনাম এর সাথে দর্জির ব্যবসা করতে পারেন। তাহলে কয়েক বছরের ভিতরেই এই ব্যবসাটিকে অনেক বড় করা সম্ভব।

কি ভাবে শুরু করবেন দর্জির ব্যবসা

আপনি যেকোন স্থানে শুরু করতে পারেন কাপড় সেলাই এর ব্যবসা। ছােট বা বড় মার্কেট একটি দোকান ভাড়া নিয়েও আপনি শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা।

অথবা নিজের বাড়িতেও কাপড় সেলাই এর ব্যবসাটি শুরু করে দিতে পারেন। সামান্য কিছু প্রশিক্ষণ নিয়েই খুব সহজে কাপড় সেলাই এর ব্যবসা শুরু করা যায় ।

কাপড় সেলাই প্রশিক্ষণ

ব্যবসা শুরু করার আগে প্রথমে আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সেজন্য কাপড় কাটা এবং সেলাইয়ে দক্ষতা অর্জনের জন্য অভিজ্ঞ কারও সাথে থেকে প্রশিক্ষণ নিলে ভাল হবে।

এছাড়া যুব উন্নয়ন দপ্তর এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সেলাই প্রশিক্ষণে টাকার বিনিময়ে কাপড় সেলাই এর কাজ শেখা সম্ভব।

দর্জি ব্যবসার বিক্রয় বাড়ানোর কৌশল

আপনি আপনার ব্যবসাটিকে ফেসবুকের মাধ্যমে অনলাইন অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। যার ফলে, আপনার ব্যবসায়ের প্রচার হবে খুব তাড়াতাড়ি।

এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা জন্য, আপনার সম্পূর্ন এলাকায় মাইকিং করতে পারেন। ফলে, ক্রেতাগন আপনার ব্যবসা এবং আপনার সার্ভিস সম্পর্কে জানতে পারবে।

সবশেষে, মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে চেষ্টা করুন। যে তারিখে কাপড় পৌঁছে দেওয়ার কথা সে তারিখেই কাপড় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

ওয়াদা রক্ষা করতে পারলে অতিদ্রুত আপনার ব্যবসার কথা তাড়াতাড়ি চারদিকে ছড়িয়ে যাবে।

কত টাকা মূলধন লাগেব দর্জির ব্যবসা করতে

এই ব্যবসাটি শুরু করতে কমপক্ষে ৫০০০০ টাকা বিনিয়ােগ করতে হবে। দোকান নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাইলে জায়গা ভেদে ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে।

সম্ভাব্য আয় দর্জির ব্যবসা থেকে

এই ব্যবসাটি ছোট আকারে শুরু করে মাসে কমপক্ষে ২০-২৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হবে।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#17 আইসক্রিম ব্যবসা আইডিয়া

আইসক্রিমের চাহিদা সবসময় একটু বেশিই থাকে। তাই আপনি চাইলে আইসক্রিম এর দোকান খোলার চিন্তাভাবনা শুরু করতে পারেন। তবে এর জন্য আপনাকে সামান্য পুঁজি নিয়ে এ ব্যবসায় নামতে হবে।

যাতে আপনার ক্রেতাগন আপনার দোকানে আরামদায়ক ভাবে বসে আইসক্রিম খেতে পারে। ঠিক আইসক্রিম পার্লারের মতো। খুব বড় প্রয়োজন নেই শুরুতেই।

প্রথমে ছোট দোকান দিয়েই শুরু করলে ভাল হবে। পরে মূলধন বাড়লে আপনি দোকান বড় করার চেষ্টা করবেন। তবে মাথায় রাখবেন এই ধরণের ব্যবসা এখন অনেকে লোক করে তাই আপনাকে সঠিক ভাবে ভাল জায়গা বাছাই করতে হবে।

এমন জায়গা খুঁজুন যেখানে মানুষের চলাচল বেশি রয়েছে। যেমন– স্কুল ও কলেজের সামনে বা মার্কেটের সামনে। প্রথমে অল্প কিছু আইসক্রিম তুলুন এবং আস্তে আস্তে করে বাড়াতে থাকেন। অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে চাইলে এটি একটি অসাধারণ আইডিয়া।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#16 চাইনিজ কমলা লেবু চাষ

লেবু জাতীয় ফলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ফল হলো কমলা। আমরা বাজার থেকে কমলা কেনার পাশাপাশি চাইনিজ কমলা ফলের চাষ করেও সাবলম্বী হতে পারি।

কিভাবে কমলা লেবু চাষ করবেন

কমলা লেবু চাষের জন্য প্রথমে নির্বাচন করতে হবে এমন জমি, যাতে সারাদিন রোদ থাকে, বৃষ্টির পানি জমেনা এবং বর্ষাতে পানি উঠেতে পারে না। তারপর ভালভাবে জমির আগাছা পরিস্কার করে নিতে হবে।

জমি যদি সমতল হয় তাহলে ২-৩ বার চাষ এবং মই দিতে হবে। কিন্ত পাহাড়ি জমি হলে কষ্ট বেশি করতে হবে, কোদালের মাধ্যমে জমি তৈরি করে নিতে হবে।

যখন জমি তৈরি হয়ে যাবে। তখন ১২ ফিট দুরত্বে ৬০x৬০x৬০ সে.মি আকারে গর্ত তৈরি করে নিতে হবে। চারা রোপন করার পনের থেকে বিশ দিন আগে ভালভাবে সার প্রয়োগ করে নিতে হবে।

কমলা লেবু চাষে লাভ হবে কেমন

চাইনিজ কমলা লেবুর গাছে দুই বছর বয়স থেকেই গাছে ফুল আসতে শুরু করে। ফল পরিপক্ক হতে মোট সময় লাগে প্রায় ৬ মাস।

গাছের বয়স যখন আড়াই বছর হবে তখন একটা গাছ থেকে প্রায় ৫০ কেজি কমলা পাওয়া যাবে। এবং প্রতি বছর এর ফলন বাড়তে থাকবে। একটি প্রাপ্ত বয়স্ক কমলা লেবুর গাছ থেকে ১০০ কেজি পর্যন্ত কমলা পাওয়া সম্ভব।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#15 সিরাজী কবুতরের খামার

কবুতরের খামার যে কেউ ইচ্ছা থাকলে তৈরি করতে পারেন। ছাত্র , গৃহিণী, বা চাকরিজীবী যেকেউ যদি দিনে ১ ঘন্টা করে সময় দিতে পারেন তবে একটি কবুতরের খামার তৈরি করা সম্ভব।

বিশ জোড়া সিরাজী কবুতরের খামার থেকে মাসে প্রায় ১০০০০ টাকা আয় করা যাবে। আমি এখানে ২০ জোরা সিরাজী কবুতর পালন করে কত টাকা আয় করা সম্ভব এর বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার চেষ্ঠা করব। বিশ জোড়া সিরাজী কবুতরের জন্য আপনাকে প্রায় ৫০০০০ টাকা নিয়ে প্রথমে শুরু করতে হবে ।

বাচ্চা বিক্রির আগে পর্যন্ত তার পেছনে খরচের হিসাব

এক মাসে খাবার খরচ ৫০ টাকা, প্রতি জোড়া কবুতরের। তাহলে ৪ থেকে ৫ মাসে একজোড়া বাঁচ্চার পেছনে ব্যয় হবে ২০০ টাকা।

এক জোড়া ৫ মাস বয়সী কবুতরের দাম পাইকারি বাজারে ১২০০ টাকা ।

৫ মাসে একজোড়া বাচ্চার পেছনে খাবার ব্যয় হবে ২০০ টাকা । সুতরাং গড়ে এক জোড়া পূর্ণবয়স্ক কবুতরের দাম ১২০০ টাকা হিসাব করলে । আপনার সব খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকবে ১০০০ টাকা।

এক জোড়া সিরাজী কবুতর থেকে যদি বছরে ৬ জোড়া (১২টি) বাচ্চা পাওয়া যায় এর বিক্রয় মূল্য সব খরচ বাদে আসে ৬০০০ টাকা ।

২০× ৬০০০ =১২০০০০ টাকা। তাহলে গড়ে এক মাসে ইনকাম আসবে ১২০০০০÷১২= ১০০০০ টাকা।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#14 ছোট পরিসরে ডেইরি ফার্ম ব্যবসার আইডিয়া

ফার্ম এর কথা ভাবলে, প্রথমেই আমাদের মনে আসে ডেইরি ফার্ম এর কথা। সত্যি বলতে পকেটে টাকা থাকলে ফার্ম করা এখন আর কোন কোনো বিষয় না। তবে আজকে আলোচনা বিষয় হলো একেবারে কম খরচে কি ভাবে আপনি ডেইরি ফার্ম শুরু করতে পারবেন।

ডেইরি ফার্ম দিতে কত টাকা খরচ হবে

আপনার দরকার হবে কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা। প্রথমে ২ টি গরু বাছুরসহ কিনতে হবে। যেগুলো কমপক্ষে ১৫ লিটার দুধ দিবে। এবং মনে রাখতে হবে গাভি সব সময় এক সমান দুধ দেবে না কখনো। কম-বেশি হতে পারে। তবে গড়ে ১০ লিটার দুধ দিবে।

এককালীন খরচ: ২টি গরুর দাম হবে ২,৪০,০০০ লাখ টাকা। এবং গোয়াল ঘর খরচ হবে ৬০ হাজার টাকা। এই হলোমোট ৩,০০,০০০ টাকা।

‎মাসিক ব্যয়: কর্মচারীর মাসিক বেতন ৭ হাজার টাকা। গরুর খাবারের মাসিক খরচ ৭ হাজার টাকা। ওষুধ এবং অন্যান্য ১ হাজার টাকা। প্রতি মাসে মোট ব্যয় ১৫,০০০ টাকা।

ডেইরি ফার্ম থেকে কত টাকা লাভ হবে

দুধ থেকে আয়: প্রতিদিন ২০ লিটার দুধ ৫০ টাকা করে বিক্রি করলে ১ হাজার আয় করা সম্ভব। তাহলে প্রতি মাসে আয় ৩০ হাজার টাকা হবে।

মাসিক লাভ: আয় ও ব্যয় বাদ দিলে মাসে লাভ হবে ১৫ হাজার টাকা। প্রথম অবস্থায় আপনি যদি কর্মচারী না রাখেন, তাহলে আপনার লাভের পরিমান আরও বেশি হবে।

ডেইরি ফার্ম পরিচালনার পদক্ষেপ

এভাবে আয় ধরে রাখতে হলে ১০ মাস পরে আবার ২টো দুধের গরু কিনতে হবে। এব ভাবে গাভী কিনলে একটি সার্কেলের মধ্যে পড়ে যাবে। তাহলে কখনোই আর পকেট থেকে টাকা ব্যয় করার দরকার হবে না।

পরে যখন আপনার গরুর বাছুর গুলো বড় হয়ে যাবে, এবং এ থেকে বাচ্ছা হবে। এইভাবে আপনার ডেহরি ফার্ম ভালভাবে পরিচালনা করতে পারলে ২/৩ বছরের ভিতরেই আপনার ফার্ম টিকে অনেক বড় করে তুলতে পারবেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#13 লাভজনক প্রোল্ট্রি ফার্ম ব্যবসা আইডিয়া

যারা গ্রামে থাকেন, এবং ছোট খাটো কোন ব্যবসার আইডিয়া কথা ভাবতেছেন, তারা ১০০ বা ২০০ মুরগি দিয়ে প্রোল্ট্রি ফার্ম ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

কিভাবে শুরু করবেন প্রোল্ট্রি ফার্ম ব্যবসা

আপনি খুব সহজেই ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েই শুরু করতে পারবেন প্রোল্ট্রি ফার্ম এর ব্যবসা। মাত্র ২/৩ মাসের মধ্যে উঠে আসবে এ ব্যবসার মূলধন।

এছাড়াও মুরগির মাংস এবং ডিমের পাশাপাশি এর বিষ্ঠা সার হিসেবে বিক্রি করে আয় করতে পারবেন। আর পরিবারের লোকজন দিয়েই ফার্ম পরিচালনা করে বার্তি খরচ কমানো যায়।

প্রোল্ট্রি ফার্ম ব্যবসায় লাভ কেমন

ভালভাবে পরিচর্যা করলে ১০০টি ব্রয়লার মুরগি পালন করে ২ মাসে ১০ হাজার টাকার বেশি লাভ করা যাবে।

এবং লেয়ার মুরগি ৪/৫ মাস বয়স থেকে ডিম পাড়া শুরু করে। এবং একটানা এক বছরের বেশি সময় ধরে ডিম দেয়। এর ফলে অধিক লাভবান হওয়া যায় লেয়ার মুরগি পালন করে।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#12 লাভজনক হস্তশিল্পের ব্যবসা

হস্তশিল্পের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শখের বসে কিংবা ঘর সাজানোর জন্য হলেও মানুষ এখন হস্তশিল্পের বিভিন্ন জিনিস কিনে থাকে।

তাই আপনি যদি অল্প টাকায় ব্যবসা করতে চান। তাহলে হস্তশিল্প হতে পারে, আপনার জন্য সঠিক ব্যবসার আইডিয়া।

আপনি চাইলে নিজেই হস্তশিল্পের বিভিন্ন জিনিস নিজেই তৈরি করে এই ব্যবসা করতে পারেন। অথবা নির্ভরযোগ্য উৎস কোন থেকে পণ্য সংগ্রহ করে তা দোকান খুলে ব্যবসা করতে পারেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#11 মিনারেল ওয়াটারের ব্যবসা

অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসার আরেকটি চমৎকার আইডিয়া হলো মিনারেল ওয়াটারের ব্যবসা। আপনাকে শুধু সঠিক সময়ে বাড়িতে বা অফিসে মিনারেল ওয়াটারের ড্রাম পৌঁছে দিতে হবে।

আপনাকে চাইলে মাত্র ১০ হাজার টাকা দিয়েই এ ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। শহরাঞ্চল বা শহর কেন্দ্রিক বহু পরিবারই পানির জন্য নির্ভর করে এই জল বিক্রেতাদের ওপর।

তবে এই কাজ বেশ পরিশ্রমসাধ্য । আপনাকে সাইকেলে করে পানির ড্রাম টেনে নিয়ে যেতে হবে এ পাড়া থেকে ও পাড়া।

এছাড়াও সব সময়ে পর্যাপ্ত পানি মজুত রাখতে হবে, যাতে আপনার কাস্টমারের পানি প্রয়োজন হলে সাথে সাথে সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#10 অল্প টাকায় সবজি চাষ ব্যবসা আইডিয়া

গ্রামে যারা এখনো বেকার আছেন এবং মূলধনও বেশি নাই।তারা এই সবজির ব্যবসার আইডিয়া কাজে লাগিয়ে, লাভজনক সবজির ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।

কিভাবে শুরু করবেন সবজির ব্যবসা

আপনি যদি সরাসরি সবজি চাষীদের কাছ থেকে সবজি কিনে এনে বিক্রি করেন, তাহলে বেশি টাকা লাভ করতে পারবেন। তাছাড়া পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও সবজি কিনে এনে, প্রাথমিক ভাবে সবজির ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

সবজি বিক্রির আইডিয়া

ভ্যানে করে সবজি বিক্রি – একটি ভ্যানে করে বিভিন্ন প্রকার সবজি নিয়ে, মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবজি বিক্রি করতে পারেন।

এছাড়াও, আপনার পাড়া-মহল্লায়, হাটে বাজারে অনায়াসেই সবজি বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#9 মাছ চাষের ব্যবসা

শুরুতে অল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা করা যায়, এমন একটি আইডিয়া হচ্ছে মাছের ব্যবসা। এ ব্যবসাকে দিন দিন তুলনামূলক বড় ব্যবসায় পরিণত করা সম্ভব। তাছাড়া মাছের ব্যবসা বেশ লাভজনক।

কি ভাবে শুরু করবেন মাছের ব্যবসা

মাছের ব্যবসা দুটি পদ্ধতিতে করা সম্ভব। একটি হচ্ছে নিজ পুকুরে মাছ চাষ অন্যটি হচ্ছে পাইকারি দরে মাছ কিনে বিক্রি করা। দুটোই লাভজনক।

মাছ ব্যবসায় লাভ কেমন

প্রথমে মাছের পোনা, মাছের খাবার ও পুকুরের পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার, জাল প্রভৃতি কিনতে হবে।

তবে একবার কেনার পরে পরবর্তী সময়ে এর পেছনে আর খরচ হয় না বললেই চলে। সবকিছু মিলে ১০ হাজার টাকা ব্যয় হতে পারে।

মাছ বড় হলে প্রতি মাসে বিক্রি করে ২০ হাজার টাকার মতো উপার্জন করতে পারবেন। সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে পর্যায়ক্রমে আয় বাড়তে থাকবে।

আজকের আলোচনার বিষয়: কৃষি ব্যবসা আইডিয়া

#8 অল্প টাকায় মাসরুম চাষের ব্যবসা আইডিয়া

স্বল্প মূলধন দিয়ে যদি আপনি একজন সফল ব্যবসায়ী হওয়ার চিন্তা করে থাকেন, তাহলে “মাশরুম চাষ” ব্যবসার আইডিয়া আপনার জন্য একেবারে উপযুক্ত।

মাশরুম চাষের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই মোটামোটি ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। তারজন্য আপনার দরকার হবে আপনার কাজের সৃজনশীলতা, পরিশ্রম ও পরিচর্যা।

মাসরুম ব্যবসার আয় ব্যায় হিসাব –

মাসরুম বীজ বোনার ছয় থেকে সাত দিনের মধ্যেই ফলন হয়। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে ৮ হাজার বীজ থেকে প্রতিদিন ১৬ কেজি মাশরুম পাওয়া সম্ভব।

২৫ টাকা দাম হয়, ১০০ গ্রাম কাঁচা মাশরুমের। এবং ১০০ গ্রাম শুকনা মাসরুমের দাম ১৮০ টাকা। তাই মাশরুম চাষকে বাড়তি আয়ের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে গ্রামের অনেক বেকার যুবকরা।

এই কৃষি ব্যবসার আইডিয়া গুলো ভাল লাগছেনা ? চিন্তার কোনো কারণ নেই। আরও নতুন এবং ভিন্ন কিছু কৃষি ব্যবসার আইডিয়া দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করে ঘুরে আসুন।

Leave a Reply