লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া -প্রমাণ সহ
ব্যবসার আইডিয়া

লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া -প্রমাণ সহ

লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া- আপনি ছাত্র কিংবা চাকরিজীবী যে কাজই করেন না কেন, আপনার পড়া-লেখা কিংবা চাকুরির পাশাপাশি অবসর সময়ে কিছু সময় ব্যয় করেই, আপনি এই লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া গুলো কাজে লাগিয়ে শুরু করে দিতে পারেন নতুন কোন বিজনেস।

এই ছোট ব্যবসার আইডিয়া গুলির মধ্যে থেকে নিজের পছন্দ, আগ্রহ ও দক্ষতা অনুযায়ী যে কোনও একটি বেছে নিয়ে, আপনিও শুরু করতে পারেন কম টাকায় লাভজনক ব্যবসা।

ব্যবসা ছোট হোক আর বড়, আপনার কাছে যেই ব্যবসা ভাল লাগবে, আপনার সেটাই করা উচিত। তাই আপনি আপনার সম্পূর্ণ পোষ্টি পড়ে দেখতে পারেন। এখান থেকে কোন ব্যবসার আইডিয়া হয়ত আপনার ভাল লেগে যেতে পারে।

ব্যবসা শুরু করার আগে যা মনে রাখা দরকার

সবাই যা কিছু করে, আপনাকে তার থেকে কিছুটা হলেও ভিন্ন করতে হবে। আপনার ব্যবসার আইডিয়া টাকে একটু ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে হবে। এবং আপনাকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে, অন্য সবার থেকে ভাল সার্ভিস দিতে হবে।

এই জন্য আপনার ব্যবসা যেটাই হোক না কেন, সেটাকে যেভাবেই হোক অনলাইন নির্ভর করে তুলতে হবে। কারন মানুষ এখন দিন দিন অনলাইন নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে। তাই পরিবর্তনের ধারার সাথে আপনাকেও পরিবর্তন হবে।

কিছুদিন পরেই দেখবেন, অফলাইনের চেয়ে, অনলাইনে বেশি কেনা বেচা হচ্ছে। তাই নিজের ব্যবসার আইডিয়া টাকে প্রথম থেকেই, অনলাইন এবং অফলাইনে জনপ্রিয় করে তুলুন।

অল্প টাকায় লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

#7 লন্ড্রি ব্যবসার আইডিয়া

প্রথমেই লন্ড্রি ব্যবসার আইডিয়া দিয়েই শুরু করা যাক। কেননা অল্প টাকা দিয়ে যেসব ব্যবসা করা সম্ভব তার মধ্যে লন্ড্রি ব্যবসা অন্যতম।

বর্তমানেে আমাদের ব্যস্ততা, লোকবলের অভাব ইত্যাদি নানা কারণে নিজের পোশাকটি লন্ড্রিতে দিয়ে আসার মত সময় বের পারি না। আর এই আইডিয়াটি কাজে লাগিয়ে আপনি করতে পারেন হোম ডেলিভারি লন্ড্রী সার্ভিস এর ব্যবসা।

কিভাবে শুরু করবেন লন্ড্রি ব্যবসা

লন্ড্রি ব্যবসার জন্য প্রথমেই আপনাকে উপযুক্ত জায়গা নির্বাচন করতে হবে। জায়গা নির্বাচন এইখানে খুব ই গুরুত্বপূর্ণ।

তারপর আপনার বাজেট অনুযায়ী, আপনার ব্যবসা টিকে দাড় করাতে হবে। শুধু এতটুকু করেই বসে থাকলে চলবে না। অন্য ব্যবসায়ীদের থেকে নতুন কিছু বা ভাল কিছু করতে হবে।

আজকের আলোচনার বিষয়: লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

আপনার ব্যবসাটি যদি শহর বা উপশহরে হয়। তাহলে হোম ডেরিভারির ব্যবস্থা করতে পারেন। আপনার এলাকাতে অনান্য লন্ড্রী দোকান থাকলেও, তারা কিন্তু এখনো হোম ডেলিভারি লন্ড্রি সার্ভিস শুরু করেনি। তাই আপনি চাইলে, এই পদ্ধ‌তিটি আপনার এলাকায় শুরু করতে পারেন।

মার্কেটিং ও প্রচারণা

এছাড়াও আপনি আপনার ব্যবসা টিকে ফেসবুকের মাধ্যমে অনলাইন অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। যার ফলে, আপনার ব্যবসায়ের প্রচার হবে তাড়াতাড়ি। এবং অনলাইন থেকেও অর্ডার পাওয়ার সম্ভবনা দিন দিন বাড়বে।

হোম ডেলিভারি লন্ড্রি সার্ভিস খোলার পর স্থানীয় গ্রাহকদের আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানাতে হবে। এ জন্য লিফলেট, ব্যানার কিংবা পোস্টার লাগাতে পারেন।

দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য, আপনার পুরো এলাকায় মাইকিং করতে পারেন। যার ফলে, কাষ্টমার আপনার ব্যবসা এবং এর সার্ভিস সম্পর্কে ভালভাবে জানতে পারবে।

সবশেষে, কাষ্টমারকে দেওয়া কথা রাখার চেষ্ঠা করুন। যেদিন কাপড় পৌঁছে দেওয়ার কথা সেদিনই কাপড় পৌঁছে দিতে হবে। ওয়াদা রক্ষা করতে পারলে অতিদ্রুত আপনার দোকানের সুনাম চারপাশে ছড়িয়ে যাবে।

আজকের আলোচনার বিষয়: লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

#6 ক্লাউড কিচেন বা অনলাইন খাবার ব্যবসার আইডিয়া

কয়েক বছর থেকে রাজধানীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নতুন কালচার—হোম ফুড ডেলিভারি সার্ভিস। যা নাগরিকজীবনে নিয়ে এসেছে নতুন মাত্রা।

শহরের ভিতরে বিশেষ করে থানা, জেলাতে অনলাইনে এই খাবারের ব্যবসার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এবং ক্লাউড কিচেন ব্যবসার মাধ্যমে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশি।

কারণ ঘরে বসেই এ ব্যবসা চালানো সম্ভব। তবে এ ব্যবসায় নামার আগে রান্নার কাজে নিজের হাতটা পাকিয়ে নেওয়া ভাল। এর জন্য যেকোনো প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে রান্না করা শিখে নিতে পারেন। আর আপনি যদি রান্নার কাজটা নিজে না করতে চান, তাহলে রাখতে পারেন দক্ষ বাবুর্চি।

কিভাবে শুরু করবেন অনলাইনে খাবারের ব্যবসা

প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে, কোন ধরনের খাবার বিক্রি করতে চান। এর জন্য আপনি বাজার জরিপ করেও দেখতে পারেন।

বিশেষ করে বিভিন্ন করপোরেট অফিস, কমিউনিটিতে কোন ধরনের খাবার বেশি অর্ডার করা হয় তা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

এরপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে শুধু ফাস্টফুড, নাকি চাইনিজ, থাই, ইতালিয়ান বা দুপুরের খাবার হিসেবে ভাত, বিরিয়ানি, ঠিক কোন ধরনের খাবার আপনার রেস্টুরেন্টে বিক্রি করতে চান।

শুরুতেই বিভিন্ন মেন্যু না করে একটি বা দুটি খাবার বেছে নিলে ভাল হয়। সেটি হতে পারে ভাত বা মিক্সড সালাদ। প্রাথমিক মেন্যু ঠিক করুন। পরে গ্রাহকদের চাহিদা বুঝে মেন্যুতে নতুন খাবার যোগ করতে পারেন।

অনলাইন অর্ডার নেয়ার ব্যবস্থা

খাবারের অর্ডার নেয়ার ক্ষেত্রে যেহেতু পুরোপুরি ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করতে হবে সেহেতু অর্ডার নেয়ার প্লাটফর্ম তৈরি এ ব্যবসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

এর জন্য সবচেয়ে ভাল মাধ্যম ফেসবুক এবং নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা। যার ফলে, আপনার ব্যবসায়ের প্রচার হবে তাড়াতাড়ি।

এবং অনলাইন থেকেও অর্ডার পাওয়াও অনেক সহজ হবে। সেই সাথে অনলাইন অর্থ পরিশোধের জন্য ভালো মানের পয়েন্ট অব সেল সিস্টেম (পিওএস) থাকা জরুরি।

তবে নিজেই অর্ডার নেয়া ও সরবরাহের দায়িত্ব নিলে খরচ ও ঝামেলা দুটোই বাড়বে। তাই প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র ফুড ডেলিভারি কোম্পানির ওপর নির্ভর করাই ভালো।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ফুডপান্ডা, হাংরি নাকি, উবার ইটস, পাঠাও, সহজের মতো অ্যাপ গুলো ফুড ডেলিভাড়ির জন্য খুব ই ভাল।

মার্কেটিং ও প্রচারণা

কথায় আছে প্রচারেই প্রসার। তাই এ ব্যবসা দাড় করাতে প্রচারের বিকল্প নেই। তবে যেহেতু আপনার পুঁজি অল্প, তাই পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার প্রোয়জন নেই।

সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিষ্ঠানের নামে পেজ খুলে প্রচারনা চালাতে পারেন। খাবার মেন্যু দিয়ে ফেসবুকে বুস্ট করুন। দ্রুত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে।

সম্ভব হলে আপনার পাড়াড়-মহল্লায় পোস্টারিং, দেয়াললিখন করতে পারেন। অফিসে বিলি করতে পারেন লিফলেট। একবার সবাই জেন গেলে গ্রাহকের অভাব হবে না।

আপনি যদি অনেক বেশি সংখ্যক ফুড ডেলিভারি অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। তাহলে আপনার অনলাইনের উপস্থিতি বাড়বে থাকবে।

গ্রাহক যতো সহজে আপনার রেস্টুরেন্ট অনলাইনে খুঁজে পাবে ততো বেশি অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

আজকের আলোচনার বিষয়: লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

আপনি যদি ঘরে বসে অনলাইনে আয় করতে চান। তাহলে আমাদের এই পোষ্টি পড়ে দেখতে পারেন।

#5 পোল্ট্রি ফার্ম ব্যবসার আইডিয়া

বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভবান এবং সম্প্রসারণমূলক ব্যবসার মধ্য পোল্ট্রি খাত অন্যতম। কারন এখাত যথেষ্ট সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

চাকরির পাশাপাশি বা অল্প টাকায় যে ব্যবসাটি খুব সহজে করা যায়, তা হল পোল্ট্রি ফার্ম, সেটি হতে পারে হাস, মুরগি বা ছাগলের ফার্মও।

এই ব্যপারটি সম্পূর্ণ আপনার ভাল লাগার উপরে নির্ভর করেব। আর ফার্মিং এর সবচেয়ে ভাল দিক হল, আপনি দিন দিন এই ব্যবসায়টিকে খুব সহজেই বড় করতে পারবেন।

প্রথমে আপনি ১০০ টি লেয়ার মুরগি দিয়ে শুরু করতে পারেন। বা এর চেয়েও কম দিয়ে। কম করে শুরু করাই ভাল। কারণ যতদিন যাবে, আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ততটাই অভিজ্ঞতা হবে। তাহলে লসের সম্ভাবনা কমে যাবে।

সবসময় একটা টার্গেট রাগতে হবে, এবার ১০০ মুরগি পালন করলে, পরের বার ১৫০ মুরগি। এইভাবে আস্তে আস্তে করে বাড়াতে হবে।

এইভাবে ৫০০ মুরগি করতে পারলেই, প্রতি মাসে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করা সম্ভব হবে। আমার মতে, যারা গ্রামে থাকে, তারা অল্প কিছু টাকা দিয়ে এই ব্যবসা করে, সাবলম্ভী হতে পারে।

ফার্ম ব্যবসার আরেক টা ভাল দিক হলো, ব্যবসা প্রচারের জন্য আপনাকে কোন খরচ করতে হবে না। কারন আমাদের দেশে মুরগির ডিমের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। যার ফলে আপনি যে কোন বাজারেই ডিম গুলি খুব সহজেই বিক্রি করতে পারবেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

#4 অল্প টাকায় লাভজনক সুপার শপ ব্যবসার আইডিয়া –

প্রতিদিনের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যদি এক জায়গাতেই পাওয়া যায় তাহলে মানুষ কেন অনর্থক বাজারে বাজারে ঘুরবে! ঝামেলাবিহীন বাজারের জন্য সুপার শপই সেরা।

তাই আপনি চাইলে ছোট পরিসরে সুপার শপ ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।

সুপার শপ হল এমন একটি বাজার ব্যবস্থা, যেখানে চাল , ডাল তেল, লবন, কাচাবাজার থেকে শুরু করে বাচ্চাদের খেলনা, হাবিজাবি সবই বিক্রি করা হয়।

কিভাবে শুরু করবেন সুপার শপ বিজনেস : সুপার শপ ব্যবসায়ে সফল হতে গেলে প্রথমেই দরকার সঠিক স্থান নির্বাচন। সাধারণত জেলা বা উপজেলা গুলো সুপার শপ এর জন্য ভাল।

সুপার শপ সব এলাকার সব ভোক্তাদের জন্য নয়।আমাদের সমাজে সুপার শপ সম্পর্কে কিছু প্রচলিত ধারণা আছে। যেমনঃ সুপার শপে দাম বেশি রাখা হয়, সুপার শপে দ্রব্যাদি বেশি দিন ফ্রিজিং করে রাখা হয়।

এই সকল সমস্যা সমাধানের জন্য ভালভাবে আপনার ব্যবসায়ের প্রচারণা করতে হবে। মানুষের মধ্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এক্ষেত্রে লিফলেট, পোস্টার এগুলা ব্যবহার করা যেতে পারে।

সুপার শপ পরিচালনার জন্য কিছু দক্ষ বিক্রয় কর্মী প্রয়োজন। কারণ তাদের ভালো ব্যবহারই নিশ্চিত করবে একজন ভোক্তা পরবর্তীতে আর আসবে কিনা।

আপনার যদি মোটামোটি ভাল পরিমান মূলধন থাকে, তাহলে আপনি এই ব্যবসার আইডিয়া কাজে লাগিয়ে, একটি সুপার শপ শুরু করতে পারেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

#3 কম টাকায় খেলনা ব্যবসার আইডিয়া

আমাদের শহরএবংগ্রামে যেসব অল্পমূল্যের প্লাস্টিকের খেলনা বিক্রি করা হয়, ৪/৫ বছর আগেও তার প্রায় পুরোটাই ছিল আমদানি নির্ভর।

কিন্তু সেই অবস্থার অনেকটা পরিবর্তন হয়ে গেছে বিগত ২/৩ বছরে। এখন খেলনার চাহিদার বড় একটা অংশ তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশেই।

তাই এখন অল্প টাকায় বাচ্চাদের নানান ধরনের খেলনা নিয়ে লাভজনক ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। সারা বছরই খেলনার চাহিদা রয়েছে। প্লাস্টিকের খেলনা যেমন বিক্রি করতে পারেন, তেমনি আপনি চাইলে বিক্রি করতে পারেন কাঠের খেলনাও।

প্রথমে আপনাকে ঢাকার চক বাজার থেকে পাইকারি রেটে খেলানা সংগ্রহ করতে হবে। এবং তারপর আপনাকে সেগুলো বিক্রি করতে হবে।

খেলনা বিক্রি করবেন কিভাবে

খেলনা বিক্রি করা খুব কঠিন কাজ নয়। কারন খেলনার চাদিদা ১২ মাস ই থাকে। আপনাকে শুধু সঠিক আইডিয়া টি জেনে নিতে হবে খেলনা বিক্রির।

বিভিন্ন মেলায় – মেলায় গিয়ে অনায়েশেই প্রচুর খেলনা বিক্রি করতে পারবেন। এছাড়াও হাটে বাজের সবসময় খেলনা চাহিদা থাকে।

ওয়াজ মাহফিল :- এখানকার দিনে ১২ মাস ই ওয়াজ মাহফিল হয়। তাই আপনি চাইলে ওয়াজ মাহফিলে গিয়েও খেলনা বিক্রি করতে পারবেন।

ফেসবুক :- ফেসবুকে পেজ খুলে প্রচারনা চালাতে পারেন। ভাল মানের কিছু খেলনার ছবি দিয়ে ফেসবুকে বুস্ট করুন। ফলে দ্রুত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে।

একটি সাইকেল বা ছোট কোন গাড়িতে খেলনা নিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়েও খেলনা বিক্রি করতে পারবেন।

সত্যি বলতে অসংখ্য উপায় রয়েছে, খেলনা বিক্রি করার। আপনাকে শুধু খুজে বের করতে হবে, কোন মাধ্যমটি আপনার সাথে যায়, এবং আপনি পারবেন।

আজকের আলোচনার বিষয়: লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

#2 এফ – কমার্স ব্যবসার আইডিয়া

ইন্টারনেটে কেনাকাটার সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। কেনা বেচার প্রক্রিয়াটিকে ই-কমার্স বলে। ফেসবুকের পেজ খুলে কেউ যদি ই-কমার্স বিজনেস করে সেটিকে বলা হয় এফ কমার্স। শুধু শুধু টাকা খরচ করে ওয়েবসাইট তৈরির প্রয়োজন নেই এখানে। শুধুমাত্র ফেসবুকে একটি পেজ খুলেই এফ কমার্স ব্যবসা শুরু করা যাবে। এই ব্যবসার আইডিয়া টা তরুনদের কাছে দিন দিন খুব ই জনপ্রিয় হয়ে ওঠছে।

এফ-কমার্স ব্যবসা শুরু করবেন কি ভাবে:-

চাহিদাসম্পন্ন পণ্য নির্ধারণ

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হল প্রথমে আপনাকে সময়ের চাহিদাসম্পন্ন পণ্য খুঁজে বের করতে হবে। এবং এটি এমন পণ্য হতে হবে, যা আপনি কমদামে সংগ্রহ করতে পারবেন।

এটি ছোট বড় যে কোন ধরনের পণ্য হতে পারে। এখন সবাই অনলাইন থেকেই পণ্য কিনতে আগ্রহ বোধ করে। তাই আপনি আপনার কাছে রয়েছে, এমন যে কোন পণ্যই অনলাইনে সেল করতে পারবেন।

কম্পিটিটরদেরকে অ্যানালাইস করা

পণ্য নির্বাচনের পরে, আপনাকে অবশ্যই কম্পিটিটরদেরকে অ্যানালাইস করতে হবে। দেখতে হবে, অন্য ব্যবসায়ীরা কি দামে পণ্য বিক্রি করে। কত তাড়াতাড়ি পণ্য ডেলিভারি দিতে পারে। সবকিছু আপনাকে অ্যানালাইস করতে হবে। এবং অন্যদের থেকে ভাল করার চেষ্টা করতে হবে।

সঠিক কুরিয়ার সার্ভিস খুঁজে বের করা

অনলাইনে ব্যবসার অন্যতম প্রধান বাধা হলো, সঠিক সময়মত পণ্য ডেলিভারি না দেওয়া। এই ব্যাপারে আপনাকে খুব মনোযোগ দিতে হবে।

এজন্য প্রথমেই আপনাকে গ্রাহকের সন্তুষ্টির কথা ভেবে ভাল মানের কুরিয়ায় সার্ভিস বেছে নিতে হবে। সম্ভব হলে সীমিত পরিসরে নিজস্ব ডেলিভারি সিস্টেম তৈরি করতে হবে।

কাস্টমার রিলেশন ডেভেলপ

একজন ক্রেতার কাছে পন্য বিক্রি করেই আপনার কাজ শেষ, এমন ভাবলে হবে না। কাষ্টমার এর সাথে আপনার ভাল রিলেশন করতে হবে।

আপনার টার্গেট থাকতে হবে, শুধু একবার পণ্য বিক্রি নয়, কাষ্টমার এর যতবার পণ্য দরকার হবে, সেই কাষ্টমার যেন প্রতিবারই আপনার কাছে থেকে যেন পণ্য কিনে।

আজকের আলোচনার বিষয়: লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

#1 ফুড কার্ট বা ফুড ভ্যান ব্যবসার আইডিয়া

আরেকটি নতুন কিন্তু জনপ্রিয় ব্যবসার আইডিয়া হচ্ছে ‘ফুড কার্ট’ । সাধারণত কোন ছোট পিক-আপ অথবা ভ্যান গাড়িতে করে বিভিন্ন রকমের খাবার বিক্রি করা হয়।

সেক্ষেত্রে , আপনি চাইলে রুটিন করে একেক দিন একেক জায়গায় আপনার দোকানটি বসাতে পারেন। এজন্যে আপনাকে কোন লাইনেন্স করতে হবে না।

কি ধরনের খাবার রাখবেন

ফাস্ট ফুড থেকে শুরু করে থাই, চাইনিজ, মেক্সিকান, ইন্ডিয়ান, মালয়েশিয়ান বিখ্যাত বিভিন্ন পদের খাবার।

আরো আছে বার্গার, পিৎজা, হট ডগ, চিপস, হট কফি, কোল্ড কফি, সুস্বাদু সব ফলের ফ্রেশ জুস। বিভিন্ন বয়সের মানুষ বিশেষ করে তরুণরা এসব খাবার বেশ ভালভাবেই লুফে নিবে।

স্থান নির্ধারণ

প্রতিটি ব্যবসার জন্যই স্থান নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপযুক্ত স্থান না পেলে ক্রেতাসমাগম কম হবে। ফুড ভ্যানটি অবশ্যই ক্রেতার নাগালে থাকতে হবে।

এজন্য স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি থাকলে ভাল হয়। যেখানে গ্রাহকের ভিড় থাকে। এছাড়া আবাসিক এলাকার মোড়েও বসাতে পারেন।

ব্যবসায় নতুনত্ব

ব্যবসায় নতুনত্ব আনতে বিকাশ কিংবা রকেটের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এবং সেই সাথে হোম ডেলিভারির সার্ভিস দিতে পারেন।

ফেসবুক এ নিজের ব্যবসার নামে একটি পেজ খুলে প্রচার চালাতে পারেন। ফলে আপনার ব্যবসার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।

সবশেষে বলতে চাই, যে ব্যবসাই করুন না কেন, পরিশ্রম আপনাকে করতেই হবে, কারন সফলতার কোন সটকার্ট নেই। এবং মুনাফা অর্জনের জন্য, আপনাকে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হবে। – ব্যবসার আইডিয়া

আজকের আলোচনার বিষয়: লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

এই ব্যবসার আইডিয়া গুলো ভাল লাগছেনা ? চিন্তার কোনো কারণ নেই। নতুন কিছু কৃষি ব্যবসা আইডিয়া দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করে ঘুরে আসুন।

ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে যদি আপনার কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমরা যথাসম্ভব আপনাকে হেল্প করার চেষ্টা করব।

আপনি যদি অনলাইনে, কাজ করে অায় করতে চান। তাহলে আমাদের এই পোষ্টি দেখতে পারেন। এখানে সবকিছু বিস্তারিত বলা হয়েছে।

Leave a Reply