প্রতিদিনের জরুরী মাসআলা মাসায়েল

প্রতিদিনের জরুরী মাসআলা মাসায়েল

মাসআলা মাসায়েল শব্দের অর্থ কি?

মাসআলা মাসায়েল শব্দের অর্থ হলো – কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে চাওয়া বা জানার আগ্রহ প্রকাশ করা

আমরা সাধারণত বুঝি, কুরআন হাদীসের নির্দিষ্ট কোন একটি বিষয়কে মাসআলা বলা হয় – যে বিষয়টি সম্পর্কে মানুষের জানার প্রয়োজন রয়েছে।

নামাজের মধ্যে মোবাইল ফোন বাজলে কি করণীয়

উত্তর : প্রতিটি মুসল্লির জন্য কর্তব্য মসজিদে প্রবেশের সাথে সাথে মােবাইল ফোন বন্ধ রাখা । জামাতে নামাজ আদায়কালীন সময় মােবাইল বেজে উঠলে সকলের নামাজের খ্যান খেয়াল নষ্ট হয় যা অত্যন্ত ক্ষতিকর ও গোনাহের কাজ ।

সুতরাং এমতাবস্থায় সম্ভব হলে এক হাত দিয়ে মোবাইল বন্ধ করবে। আর যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে নাজ ছেড়ে দিয়ে মোবাইল বন্ধ করে নতুন করে নিয়ত বেধে নামাজে শরীক হতে হবে।

আজকের আলোচনার বিযয়: মাসআলা মাসায়েল

নামাজের মধ্যে বাজে চিন্তা আসলে কি করব

উত্তর : নামাজের মধ্যে দুনিয়াবী চিন্তা এসে গেলে তার সাথে সাথে মনকে নামাজের প্রতি রুজু করতে হবে এবং প্রতি রােকনে তিনবার এই কথা মনে মনে স্মরণ করবে যে ,

আল্লাহ তালা আমাকে দেখছেন , আল্লাহ তায়ালা আমার সবকিছু শুনছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার অন্তরের খবরও জানেন । আর অর্থের প্রতি লক্ষ্য রেখে কিরাত পাঠ করলে নামাজের প্রতি অধিক মনােযোগ বৃদ্ধি পায়।

বেনামাজীকে পৃথিবীতে কি কি শাস্তি ভোগ করতে হয়

উত্তর : বেনামাজীকে পৃথিবীতে যে পাঁচ প্রকার শাস্তি দেয়া হয় তা নিম্নরূপ ( ১ ) জীবনের বরকত কেড়ে নেয়া হয় ( ২ ) চেহারা হতে নেককারদের জ্যোতি মুছে ফেলা হয় ( ৩ ) তার তোন দোয়া কবুল হয় না। ( ৪ ) বুজুর্গ ব্যক্তিদের দোয়া হইতে সে কোন ফল লাভ করে না । ( ৫ ) যে আমলই সে করুক না কেন উহার কোন প্রতিদান পায় না।

বেনামাজীকে কবরে কি কি শাস্তি ভােগ করতে হবে

উঃ- বেনামাজীকে কবরে যে তিন প্রকার শাস্তি দেয়া হবে তা হল- ( ১ ) তার কবর এত সংকীর্ণ হবে যে এক পাজরের হাড় অন্য পাজরের ভিতর ঢুকে যাবে ।

( ২ ) তার কবরে অগ্নি প্রজ্জলিত করা হয় ( ৩ ) তার কবরে নােখর বিশিষ্ট বিরাটকায় সর্প প্রেরিতহয় যেই সাপ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য তাকে সার্বক্ষণিক দংশন করতে থাকবে।

আজকের আলোচনার বিযয়: মাসআলা মাসায়েল

কোন নামাজ জীবনে একবার হলেও আদায় করতে হয়

উঃ- সালাতুত্তাছবিহের নামাজ ।

হুযুর ( সাঃ ) এর নিকট প্রিয় তিনটি জিনিস কি ছিল

হুযূর ( সাঃ ) এর নিকট প্রিয় ৩ টি জিনিস হল – সুগন্ধি , নারী এবং নামাজ।

আল্লাহর নিকট বান্দার তিনটি প্রিয় আমল কি কি

উঃ- আল্লাহর নিকট বান্দার তিনটি প্রিয় আমল হল- ( ১) জান – মাল দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় শক্তি ব্যয় করা , ( ২ ) পাপের জন্য অনুতপ্ত হইয়া ক্রন্দন করা, ( ৩ ) অন্ন কষ্টের সময় ধৈর্য ধারণ করা।

আজকের আলোচনার বিযয়: মাসআলা মাসায়েল

নামাজে দাঁড়িয়ে কেরাত পাঠ করলে কি সওয়াব পাওয়া যায়

উঃ- নামাজে দণ্ডায়মান অবস্থায় কেরাত পাঠ করলে প্রতি অক্ষরে একশত নেকী পাওয়া যায় ।

রুকুতে গেলে কি সওয়াব হয়

উঃ- নামাজী যখন রুকুতে যায় তখন তার নিজের শরীরের ওজন সমপরিমাণ স্বর্ণ আল্লাহর রাস্তায় সদকা করার সওয়াব প্রাপ্ত হয়।

সেজদায় কি সওয়াব পাওয়া যায়

উঃ- সেজদায় গেলে সমস্ত জীন ও ইনসানের সংখ্যা বরাবর সওয়াব পাওয়া যায়।

কোন কোন ব্যক্তির নামাজ মাথার অর্ধহাত উপরে উঠে না অর্থাৎ কবুল হয় না

উঃ- এক জায়গায় বর্ণিত আছে দুই ব্যক্তির নামাজ কবুল হয় না । ১ম – হল স্বামীর অবাধ্য স্ত্রী। ২য় – মনিব হইতে পলায়নরত গােলাম।

আজকের আলোচনার বিযয়: মাসআলা মাসায়েল

কোন কোন কাজে বিলম্ব করতে নেই

উঃ- চারটি করে বিষয় করতে নেই- (১) নামাজের যখন সময় হয়ে যায় । (২) জানাযা যখন প্রস্তুত হয়ে যায়

(৩) বিবাহ উপযুক্ত কন্যার জন্য উপযুক্ত পাত্র পাওয়া যায়, (৪) ঋণ পরিশােধে বিলম্ব করতে নেই।

কবরের তিনটি প্রশ্ন কি কি

উঃ- কবরের তিনটি প্রশ্ন হল ( ১ ) তোমার রব কে ? ( 2 ) তােমার দ্বীন কি ? ( ৩ ) মােহাম্মদ ( সঃ ) সম্পরর্কে তােমার অভিমত কি

হাশরের ময়দানে পাঁচটি প্রশ্ন কি কি

উঃ- (১) সারাটি জীবন কোন কাজে ব্যয় করিয়াছ ? (২) যৌবন কাল কোন কাজে ব্যয় করিয়াছ। (৩) মাল দৌলত কিভাবে উপার্জন করিয়াছ এবং

(৪) কোন পন্থার খরচ করিয়াছ (৫)যে পরিমান এলেম অর্জন করিয়াছ উহার উপর কতটুকু আমল করিয়াছ।

পুরুষ এবং স্ত্রী লােকের ইবাদত কবুলের শর্ত কি

উঃ- সকল মুসলমানের জন্য ইবাদত কবুলের শর্ত হল- হালাল রুজী ভক্ষণ করা আর বিশেষভাবে মেয়ে লোকদের ইবাদত কবুলের জন্য অতিরিক্ত শর্ত হল পর্দায় থাকা।

আজকের আলোচনার বিযয়: মাসআলা মাসায়েল

দোয়া কবুল হওয়ার শর্ত কি

উঃ- হালাল উপার্জন করা অর্থাৎ খাদ্য ও পরিধেয় বস্ত্র হালাল উপার্জনের হওয়া।

কে পৃথিবীতেই জান্নাতের ফল খেয়েছিলেন

উঃ হযরত ঈসা ( আঃ ) এর মাতা হযরত মরিয়ম (আঃ)।

কোন মহিলা মা আছিয়া ( আঃ ) -এর সাথে জান্নাতে প্রবেশ করবেন

উঃ- যে মহিলা নিজে দ্বীনের পথে থেকে স্বামীকেও দ্বীনের কাজে সহযােগিতা করে ।

কি কি কারণে রােযা নষ্ট হয়ে যায়

উঃ- পানাহার ও যৌন সম্ভোগের দ্বারা যেমন রােজা নষ্ট হয়ে যায় তেমনিভাবে মিথ্যা ও গীবতের দ্বারাও রােজার ফজিলত নষ্ট হয়ে যায়।

ইচ্ছাকৃত ভাবে রােজা না রাখলে কি শাস্তির হবে

উঃ- বিনা ওজরে রমজানের একটি রােজা ভঙ্গ করলে সারা জীবন রােজা রাখলেও একটি রোজার সমকক্ষ হবে না।

আজকের আলোচনার বিযয়: মাসআলা মাসায়েল

রােজার কাজা কিভাবে আদায় করবে

উঃ- যদি শরয়ী ওজর বশতঃ একেবারেই রােজা রাখতে না পারে তবে একটির পরিবর্তে একটি রোজা রাখতে হবে।

সুদ খেলে কি পাপ হয়

উঃ- হুযুর ( সাঃ ) ইরশাদ করেন সুদের সত্তরটি স্তর রয়েছে । তন্মধ্যে সর্ব নিম্ন স্তর হল মায়ের সহিত জিনা করা । আর এক দিরহাম সুদ খাওয়া পয়ত্রিশ বার জিনা করার চেয়ে মারাত্মক।

প্রত্যেক আদর্শ মুসলমানের উচিত, মাসআলা মাসায়েল সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখা। আপনারা যদি মাসআলা মাসায়েল সম্পর্কে আরও জানতে চান। তাহলে অব্যশই কমেন্টে জানাবেন।

আজকের আলোচনার বিযয়: মাসআলা মাসায়েল

আপনি যদি অনলাইনে, কাজ করে অায় করতে চান। তাহলে আমাদের এই পোষ্টি দেখতে পারেন। এখানে সবকিছু বিস্তারিত বলা হয়েছে। যা দেখলে, আপনি অনলাইন থেকে আয় করার বেসিক ধারনা পাবেন।

Leave a Reply